ঘামের সমস্যার সমাধানে যা করবেনঃ 

 

  • ঘামের সমস্যা থেকে বাঁচতে কটন ফেব্রিক্স সবচেয়ে ভালো। এই কাপড় তাড়াতাড়ি ময়েশ্চার শোষণ করে এবং তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। কটন কাপড় তাপ ধরে রাখে না!

  • সুতার বুনন কিছুটা ফাঁকা ফাঁকা হলে ত্বকের জন্য ভালো,আর ঘামের সমস্যা থেকেও আপনি বেঁচে থাকবেন অনেকটাই। সুতার বুননের কারণে ত্বক সহজে বাতাসের সংস্পর্শে আসতে পারে। এমন ফেব্রিক্স চেনার সহজ একটা উপায় হচ্ছে আলো পরীক্ষা করা। কাপড়টি আলোর দিকে ধরে দেখতে হবে কেমন আলো কাপড় ভেদ করে আসতে পারে অর্থাৎ স্বচ্ছতার পরীক্ষা।

  • হালকা রঙের কাপড় চমৎকার মানানসই এবং উপযোগী ঘামের সমস্যা থেকে বাঁচতে- হালকা রঙের কাপড়ে সূর্যের আলো, তাপ প্রতিফলিত হতে পারে। গাঢ় রং সাধারণত তাপ ধরে রাখে। সাদা, ক্রিম, অফ-হোয়াইট, হালকা নীল, পিংক ইত্যাদি গরমের জন্য ভালো রং এবং অতোটা ঘামের ভেজা বোঝা যায় না। গ্রে, এ্যাশ বা ধূসর রঙের প্রায় ৫০ এর মতো শেড রয়েছে! হালকা হলেও এই রঙে দৃষ্টিকটু ভাবে ঘামের দাগ বোঝা যায়। তবে যদি তুলনামূলক ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকেন, এই রং চমৎকার একটা পছন্দ হতে পারে। 

  • তেমনিভাবে ভাবে গাঢ় সবুজ রঙের শেডও পরিহার করা ভালো। অনেকেই ঘামের দাগের সমস্যা ঢাকতে কালো, নেভি ব্লু রঙের পোশাক পড়েন। দাগ কম বোঝা গেলেও তাপ শোষণ বেশি করে থাকে বলে গরম লাগতে পারে একটু বেশি। তবে উন্নত মানের হালকা পাতলা এবং "স্বচ্ছতার পরীক্ষা" করে ফেব্রিক্স কিনলে বেশি সমস্যা হবে না।

  • লিনেন ফেব্রিক্স একটা ভালো অপশন হতে পারে। তবে কটনের তুলনায় লিনেন একটু বেশি কুঁচকিয়ে যায়। কটন শরীরে নরম আর আরামদায়ক একটা অনুভূতি এনে দেয়। লিনেনে থ্রেড কাউন্ট/ সুতার পরিমাণ বেশি থাকে এবং একটু গরজিয়াস ধরণের হয়। বলা হয়ে থাকে, লিনেন ফেবিক্সে এ্যন্টি-ব্যক্টেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

  • অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থেকে বাঁচার আরেকটা পদ্ধতি হচ্ছে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন নিয়ে আসা। অতিরিক্ত ঝালযুক্ত খাবার, এলকোহল, সালফারযুক্ত খাবার যেমনঃ ব্রকলি, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি) ডায়েট থেকে বাদ দিতে পারলে সবচেয়ে ভালো। কিছুদিনের মধ্যে নিজের দেহে পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন। এছাড়া ভালো ডিওডরেন্ট, পারফিউম, আতর ব্যবহার করে দেখা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত কড়া গন্ধযুক্ত না ব্যবহার না করাই ভালো। হিতে বিপরীত হতে পারে।

  • ভালো মানের ইনার শার্ট পড়ার অভ্যাস করা ভালো। ঘাম ভিতরের পোশাকে আটকে থাকবে ফলে বাহিরের পোশাকে দেখা যাওয়া বা দুর্গন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম।

     ♥ দুইটি জামা পড়া সুন্নাহও বটে!